মস্তিষ্কের 'Relay Station' বলা হয়— থ্যালামাসকে।
লুটিনাইজিং হরমোন নিঃসৃত হয়— পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে।
চোখের জলে থাকে— লাইসোজাইম এনজাইম।
সিস্টোলিক চাপ বলতে বুঝায়— হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ।
ডায়াস্টোল বলতে বোঝায়— হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ।
গর্ভকালীন সময়ের বিস্তৃতি হলো— ২৭০ - ২৮০ দিন।
আমাদের শরীরের কোনো স্থানে কেটে গেলে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে— ফাইব্রিনোজেন।
রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে— লোহিত রক্ত কণিকায়।
মানুষের রক্তে শ্বেত কণিকা ও লোহিত কণিকায় অনুপাত— ১:৭০০।
কোন স্থানে কেটে গেলে রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজন— অনুচক্রিকা।
সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয়— 'এবি' রক্ত গ্রুপকে।
মানবদেহের সবচেয়ে লম্বা অস্থির নাম— ফিমার।
সর্বজনীন দাতা বলা হয়— 'ও' পজেটিভ রক্তের গ্রুপকে।
মানবদেহের সর্ববৃহৎ অঙ্গ— ত্বক।
হিমোগ্লোবিনের কাজ— অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড বহন করা।
শ্রবণ ছাড়াও কানের অন্যতম কাজ হলো— দেহের ভারসাম্য রক্ষা করা।
মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে স্নায়ু কোষের- এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে। /২৪তম বিসিএস/
অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন- ইনসুলিন।
[২৩তম বিসিএস]
বহুমূত্র রোগে দরকার- ইনসুলিন।
[২০তম: ১৯তম বিসিএস]
পাকস্থলিতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়- রেনিন নামক জারক রস। [১৯তম বিসিএস]
নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়- ধমনির ভেতর দিয়ে। [১৬তম বিসিএস]
একজন সাধারণ মানুষের দেহে মোট হাড় থাকে- ২০৬টি। [১৩তম বিসিএস]
পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির হৃৎপিণ্ডের ওজন- ৩০০ গ্রাম। [ডাক বিভাগের পোস্টাল অপারেটর ২০১৬; রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক ২০১১]
Acid base balance বৃক্কের কাজ- Proximal tubule অংশের। [স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সেবা পরিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ নার্স ২০১৬]
পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির শরীরে Amino Acid-এর সংখ্যা- ২০টি। [স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সেবা পরিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ নার্স ২০১৬]
মানুষের দেহে হাড়ের সংখ্যা- ২০৬। [সেবা পরিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ নার্স ২০১৬]
সাধারণত রোগীর pulse palpate পরীক্ষা করার জন্য ধমনী- Radial artery [স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সেবা পরিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ নার্স ২০১৬]
মানবদেহে হাড় ও দাঁত গঠন এবং ফসফোলিপিড তৈরি করে- ফসফরাস খনিজ লবণ। [জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ২০১৬]
মানুষের ত্বককে বলা হয়- স্পর্শ ইন্দ্রিয়।
অস্থিতে পানির পরিমাণ- ৪০-৪৫%।
আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক শুরু হয়- পাকস্থলীতে।
পেশীগুলো অস্থির সাথে যুক্ত থাকে-লিগামেন্টের সাহায্যে।
পিত্তরস তৈরি হয়-যকৃতে।
পিত্তরস পরিপাক করে- স্নেহজাতীয় খাবার।
রক্তরসের যতভাগ মূত্রে পরিণত হয়-১০ ভাগ।
বৃক্কের গঠনগত ও কার্যকরী একককে বলে- নেফ্রন।
প্রত্যেক বৃক্কে নেফ্রনের সংখ্যা প্রায়-১০ লক্ষ।
স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ-মস্তিষ্ক।
দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে-হাইপোথ্যালামাস।
মস্তিষ্কের ৮০ শতাংশই- সেরিব্রাম।
মানবদেহের প্রতিটি কোষে ক্রোমোজোম থাকে-২৩ জোড়া।
পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তির ফুসফুসের বায়ু ধারণ ক্ষমতা-৬ লিটার।
পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির শরীরে Amino Acid-২০টি।
ভয় পেলে লোম খাড়া হয়ে যায়-এড্রেনালিন হরমোনের প্রভাবে।
শরীরের বর্জ্য পদার্থ ইউরিয়া বের করার কাজে নিয়োজিত-কিডনি।
হাড় ও দাঁতের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে-ফসফরাস।
মানুষের লালারসে থাকে-টায়ালিন নামক এনজাইম।
স্ট্রোক শরীরের যে অঙ্গে ঘটে-মস্তিষ্ক।
মানবদেহের ভিতরে রক্ত জমাট বাধে না কারণ-রক্তে হেপারিন থাকে।
টেস্টোস্টেরন হরমোনের জন্য ছেলেদের- দাঁড়ি গোফ গজায়।
রাতের বেলা কুকুর ও বিড়ালের চোখ জ্বলজ্বল করে কারণ এদের চোখে-টেপেটাম নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে।
মানুষের অস্থিমজ্জায় তৈরি হয়-লোহিত রক্ত কণিকা।
মানবদেহে খনিজ লবণের সংযুক্তি -৪%।
লিভারের গ্লাইকোজেনকে ভেঙ্গে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করে-গ্লুকাগন।
হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয় রক্তে-গ্লুকোজের ঘাটতি হলে।
একটি পূর্ণাঙ্গ স্নায়ুকোষকে বলা হয়- নিউরন।
হৃৎপিণ্ডের আবরণকে বলে- পেরিকার্ডিয়াম।
চোখের পানির উৎস- ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি।
রক্তে শ্বেত রক্ত কণিকা কোষ বেড়ে যাওয়াকে বলে- লিউকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার।
রক্তে প্রোটিনের হার-৫৫%।
ওটিটিস মিডিয়া হলো-মধ্যকর্ণের সংক্রমণ।
মানুষের মেরুদণ্ডে হাড়ের সংখ্যা-৩৩টি।
খাদ্যবস্তুকে পিচ্ছিল করে-টায়ালিন।
সাধারণ বিজ্ঞান - মানবদেহ থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর।
Md. Abdullah Farazi
0
Post a Comment