জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা বা অষ্টম শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষার জন্য সাধারণ বিজ্ঞান বইয়ের সকল অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ সাজেশন দেওয়া হল।
প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমরা যারা জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা দিবে, তারা সকল অধ্যায় থেকে প্রশ্নগুলো পড়বে। আর যারা শুধুমাত্র বার্ষিক পরীক্ষা দিবে, তারা শুধু মাত্র সিলেবাসে থাকা অধ্যায়গুলির প্রশ্নসমূহ পড়বে।
প্রথম অধ্যায়: প্রাণীজগতের শ্রেণীবিন্যাস
১. সংজ্ঞা: শ্রেণীবিন্যাস, দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ, সিলেন্টেরন, সিলোম, পেস্ট, অরীয় প্রতিসম।
২. প্লাটিহেলমিনথিস, অ্যানিলিডা, আর্থ্রোপোডা, একাইনোডারমাটা, মলাস্কা, কর্ডাটা পর্বের প্রাণীর বৈশিষ্ট্য ও উদাহরণ।
৩. দ্বিপদ নামকরণ বলতে কি বুঝ? মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম লিখ।
৪. শ্রেণীবিন্যাস কাকে বলে? শ্রেণীবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা লিখ।
৫. ব্যাঙকে কেন উভচর প্রাণী বলা হয়?
৬. পাখি কেন উড়তে পারে?
৭. সাপকে কেন সরিসৃপ প্রাণী বলা হয়?
৮. উটকে কেন স্তন্যপায়ী প্রাণী বলা হয়?
দ্বিতীয় অধ্যায়: জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি
১. কোষ কাকে বলে? কোষ বিভাজন কত প্রকার ও কি কি?
২. অ্যামাইটোসিস, মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজন বলতে কি বুঝ?
৩. মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজনের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
৪. মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজনের বৈশিষ্ট্য লিখ।
৫. মাইটোসিস কোষ বিভাজনের ধাপগুলো চিত্রসহ বর্ণনা কর।
৬. মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মেটাফেজ ও অ্যানাফেজ পর্যায় চিত্রসহ বর্ণনা কর।
৭. ক্রোমোজোম কাকে বলে? ক্রোমোজোমকে কেন বংশগতির ভৌত ভিত্তি বলা হয়?
৮. ডিএনএ ও আরএনএ বলতে কি বুঝ?
৯. জিন বলতে কি বুঝ? জিন মানুষের কোন বৈশিষ্ট্য গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে?
১০. সাইটোকাইনেসিস ও ক্যারিওকাইনেসিস বলতে কি বুঝ?
১১. ইন্টারফেজ বলতে কি বুঝ? মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজন কোথায় হয়?
তৃতীয় অধ্যায়: ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন
১. সংজ্ঞা: ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, ভেদ্য পর্দা, অভেদ্য পর্দা, অর্ধভেদ্য পর্দা, ইমবাইবিশন।
২. ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদনের গুরুত্ব লিখ।
৩. উদাহরণসহ অভিস্রবণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
৪. প্রস্বেদনকে কেন ‘Necessary Evil’ বলা হয়?
৫. উদ্ভিদ কিভাবে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে?
চতুর্থ অধ্যায়ঃ উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি
১। সংজ্ঞাঃ প্রজনন, জনন, স্পোর বা অনুবীজ, টিউবার, রাইজোম, স্টোলন, অফসেট, বুলবিল, অযৌন জনন, অঙ্গজ জনন, প্রাকৃতিক অঙ্গজ জনন, কৃত্রিম অঙ্গজ জনন, কলম, শাখা কলম, পরাগায়ন, স্ব-পরাগায়ন, পর-পরাগায়ন, নিষিক্তকরণ, ফল, সরল ফল, রসাল ফল, নীরস ফল, যৌগিক ফল, টেস্টা, টেগমেন, মাইক্রোপাইল, বা ডিম্বকরন্ধ্র, এপিকোটাইল, হাইপোকোটাইল, অঙ্কুরোদগম, মৃদগত অঙ্কুরোদগম, মৃদভেদী অঙ্কুরোদগম।
২. কলম ও শাখা কলম করার পদ্ধতি লিখ । কলম কেন করা হয়?/ কলমের প্রয়োজনীয়তা লিখ।
৩। ফুলের বিভিন্ন অংশের বর্ণনা কর।
৪। বিভন্ন প্রকার পরাগায়ন উদাহরণসহ বর্ণনা কর।
৫। নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়া ও ফল তৈরির প্রক্রিয়া বর্ণনা কর।
৬। নিষিক্তকরণের গুরুত্ব লিখ।
৭। বিভিন্ন প্রকার ফল বর্ণনা কর।
৮। বীজের গঠন বর্ণনা কর।
৯। ছোলা বীজের অঙ্কুরোদগম বর্ণনা কর।
৫ম অধ্যায়ঃ সমন্বয় ও নিঃসরণ
১। সংজ্ঞা লিখঃ ফাইটোহরমোন, ট্রাফিক চলন, স্নায়ুকোষ বা নিউরন, গ্রে ম্যাটার, সেরিব্রাম, মেরুরজ্জু, রেচনতন্ত্র, রেচন।
২। উদ্ভিদের হরমোনগুলোর নাম ও কাজ।
৩। স্নায়ুকোষ বা নিউরনের গঠন বর্ণনা কর।
৪। মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের নাম ও কাজ লিখ।
৫। রেচন পদার্থ ও রেচন অঙ্গগুলোর নাম লিখ।
৬। রেচন অঙ্গগুলোর কাজ লিখ।
৭। মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া লিখ।
ষষ্ঠ অধ্যায়: পরমাণুর গঠন
১. সংজ্ঞা দাও: পরমাণ, পারমাণবিক সংখ্যা, ভর সংখ্যা, আইসোটোপ, ক্যাটায়ন, আনায়ন।
২. আইসোটোপ এর ব্যবহার লিখ।
৩. মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস দেখাও: কার্বন বোরন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, নিয়ন, সোডিয়াম ম্যাগনেসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, সালফার, সিলিকন, ফসফরাস, ক্লোরিন, আর্গন।
৪. হাইড্রোজেনের আইসোটোপগুলি লিখ।
৫. ক নামক একটি মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ১৭ ও ভরসংখ্যা ৩৫ । ঐ মৌলের একটি পরমাণুতে কয়টি করে ইলেকট্রন প্রোটন ও নিউট্রন আছে?
৬. পরমানু কেন আয়নে পরিণত হয় তা উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
৭. কার্বনের আইসোটোপ কয়টি ও কি কি?
৮. অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ৮ বলতে কি বুঝায়?
সপ্তম অধ্যায়: পৃথিবী ও মহাকর্ষ
১. সংজ্ঞা দাও: মহাকর্ষ, অভিকর্ষ, অভিকর্ষজ ত্বরণ, ভর, ওজন, ওজনহীনতা।
২. ভর ও ওজনের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
৩. নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রটি লিখ ও ব্যাখ্যা কর।
৪. পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ ও বস্তুর ওজন বিভিন্ন হয় কেন?
৫. ওজনহীনতা ব্যাখ্যা কর।
৬. মেরু অঞ্চলে ও বিষুব অঞ্চলে g এর মান কত? g এর আদর্শ মান কত?
৭. তাহসিনের ভর ৬০ কেজি। তাহসিনের ওজন কত?
৮. একটি বস্তুর ভর ৪০ কেজি। চাঁদে বস্তুটির ওজন কত হবে?
৮ম অধ্যায়ঃ রাসায়নিক বিক্রিয়া
১. পতীক, সংকেত ও যোজনীর সংজ্ঞা ও উদাহরণ দাও।
২. মৌল ও যৌগমূলকের যোজনী।
৩। রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণের নিয়ম উদাহরণসহ লিখ।
৪। সংজ্ঞাসহ বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার উদাহরণ ও ব্যাখ্যাঃ সংযোজন, বিযোজন, দহন, প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া ও প্রশমন বিক্রিয়া।
৫। শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল কী? এর গঠন বর্ণনা কর।
৬। তড়িৎ বিশ্লেষণ কী? তড়িৎ বিশ্লেষ্য ও তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
নবম অধ্যায়: বর্তনী ও চলবিদ্যুৎ
১. সংজ্ঞা দাও: তড়িৎ প্রবাহ/বিদ্যুৎ প্রবাহ, বিভব পার্থক্য, এসি প্রবাহ, ডিসি প্রবাহ, রোধ, অ্যামিটার, ভোল্টমিটার, ফিউজ।
২. ওমের সূত্রটি লিখ ও বর্ণনা কর।
৩. শ্রেণী সংযোগ বর্তনী ও সমান্তরাল সংযোগ বর্তনী চিত্রসহ ব্যাখ্যা কর।
৪. ফিউজ কি? ফিউজ কেন ব্যবহার করা হয়?
৫. বিদ্যুতের অবচয় রোধে করণীয় উপায় গুলো কি কি?
৬. ৫ অ্যাম্পিয়ার ফিউজ বলতে কি বুঝায়?
৭. ১০ কিলোও'ম বলতে কী বোঝায়?
১০ম অধ্যায়ঃ অম্ল, ক্ষারক ও লবণ
১. বিভিন্ন ফলে উপস্থিত এসিডের নাম লিখ।
২. উদাহরণসহ সংজ্ঞা দাওঃ নির্দেশক, অম্ল/এসিড, ক্ষারক, ক্ষার, লবণ, জৈব এসিড ও খনিজ এসিড।
৩. এসিড ও ক্ষারকের বৈশিষ্ট্য/ পার্থক্য লিখ।
৪. সব ক্ষার ক্ষারক হলেও সকল ক্ষারক ক্ষার নয়।– ব্যাখ্যা কর।
৫. চুনের পানি ঘোলা হওয়ার কারণ কী?
৬. লাইম ওয়াটার/ চুনের পানি, মিল্ক অফ লাইম, মিল্ক অফ ম্যাগনেসিয়া বলতে কী বুঝ? (সংকেত জানতে হবে)
৭। ব্লিচিং পাউডার কীভাবে তৈরি হয়?
৮. লবণ উৎপাদনের বিক্রিয়া লিখঃ
ক. এসিড ও ক্ষারকের বিক্রিয়া
খ. ধাতু ও এসিডের বিক্রিয়া
গ. লবণের ও এসিডের বিক্রিয়া
একাদশ অধ্যায়ঃ আলো
১। সংজ্ঞা দাওঃ আলোর প্রতিসরণ, সংকট কোণ/ ক্রান্তি কোণ, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন, অপটিক্যাল ফাইবার ও ম্যাগনিফাইং গ্লাস।
২। আলোর প্রতিসরণের নিয়ম ও বাস্তব উদাহরণ লিখ।
৩। আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের কারণ কী?
৪। পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত লিখ।
৫। মানব চক্ষুর বিভিন্ন অংশের বর্ণনা কর।
৬। ক্যামেরার সাথে মানব চক্ষুর তুলনা লিখ।
দ্বাদশ অধ্যায়ঃ মহাকাশ ও উপগ্রহ
১। সংজ্ঞা লিখঃ মহাকাশ/ মহাশশূন্য, মহাবিশ্ব, গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ, ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, বিগব্যাঙ তত্ত্ব/ মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব, সৌরজগৎ গ্রহ, উপগ্রহ, কৃত্রিম উপগ্রহ।
২। মহাবিশ্বের উৎপত্তি কীভাবে হয়?
৩। মহাকাশ ও মহাশূন্যের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
৪। গ্রহগুলোর নাম ও তাদের বর্ণনা উপগ্রহের সংখ্যাসহ লিখ।
৫। কৃত্রিম উপগ্রহের ব্যবহার ও গুরুত্ব লিখ।
ত্রয়োদশ অধ্যায়ঃ খাদ্য ও পুষ্টি।
১। সংজ্ঞা লিখঃ খাদ্য, পুষ্টি, সুষম খাদ্য, প্রোটিন, রাফেজ, রক্তাল্পতা বা এ্যানিমিয়া, গলগন্ড বা ঘ্যাগ।
২। খাদ্যের উপাদান কয়টি ও কি কি? বর্ণনা কর। প্রত্যেক খাদ্য উপাদানের উৎস, অভাবজনিত রোগ ও রোগের লক্ষণ, অতিরিক্ত খেলে কি সমস্যা হয়?
৩। কোয়াশিরকর, মেরাসমাস, রাতকানা, জেরপথালমিয়া, স্কার্ভি, রিকেটস, অস্টিওম্যালেশিয়া, গলগন্ড রোগের লক্ষণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধ লিখ।
৪। সুষম খাদ্যের তালিকা তৈরি কর।
চতুর্দশ অধ্যায়ঃ পরিবেশ এবং বাস্তুতন্ত্র
১। সংজ্ঞা লিখঃ পরিবেশ, বাস্তুতন্ত্র, উৎপাদক, খাদক বা ভক্ষক, বিয়োজক, খাদ্য শৃঙ্খল, খাদ্যজাল।
২। বাস্তুতন্ত্রের উপাদানগুলো বর্ণনা কর।
৩। বাস্তুতন্ত্রের প্রকারভেদ আলোচনা কর।
৪। জলজ বাস্ততন্ত্রের প্রকারভেদ বর্ণনা কর।
৫। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাস্ততন্ত্রের ভূমিকা লেখ।
৬। বাস্তুতন্ত্রে শক্তি প্রবাহ ব্যাখ্যা কর।

Post a Comment